রবিবার, ৭ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং, রাত ১২:৫৭
শিরোনাম :
বরিশালে ফিরোজ ও এনায়েতের নেতৃত্বে ২৪ নং ওয়ার্ড বিএনপির বর্ণাঢ্য র‍্যালি বাঁধনের ২৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বিএম কলেজে আলোচনা সভা, র‍্যালি ও বৃক্ষরোপণ বিএম কলেজে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ জাতীয় ঐক্য ও সংহতির গুরুত্ব তুলে ধরে বরিশাল মেট্রোপলিটন কলেজে আলোচনা সভা সাংবাদিকদের ওপর হামলা ও হয়রানির ঘটনায় সাংবাদিক সুরক্ষা পরিষদের গভীর উদ্বেগ প্রকাশ বরিশাল জেলা জামায়াতের নবনির্বাচিত আমীর ড.মাহফুজুর রহমানের শপথ গ্রহণ বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম আরও কমলো যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক তৎপরতাকে চ্যালেঞ্জ জানাতে সক্ষম উদীয়মান শক্তিতে পরিণত হচ্ছে ইরান দেড় মাসের শিশু উদ্ধার,এসআই রুহুল আমিনের নেতৃত্বে গ্রেপ্তার তিন নারী কারাগারে বরিশালে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে জুলাই যোদ্ধার মৃত্যুতে কর্তৃপক্ষের জবাবদিহিতা দাবি এনসিপি মেয়রপ্রার্থীর!

ইউএনওদের জন্য কেনা হচ্ছে আরও ৫০টি পাজেরো

ডেস্করিপোর্ট  সারা দেশে উপজেলা পর্যায়ে কর্মরত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের (ইউএনও) জন্য ৫০টি মিতসুবিশি পাজেরো জিপ কিনছে সরকার। গাড়িগুলো কেনা হবে সরকারি প্রতিষ্ঠান প্রগতি ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড থেকে। প্রতিটি মিতসুবিশি পাজেরো স্পোর্টস কিউএক্স জিপের দাম পড়বে ৯০ লাখ ৩১ হাজার টাকা। মোট ব্যয় হবে ৪৫ কোটি ১৫ লাখ টাকার বেশি।

রোববার অর্থনৈতিক বিষয়-সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে এসব জিপ কেনার প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
এতে অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামালের সভাপতিত্ব করেন।

বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব সামসুল আরেফিন সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, রাষ্ট্রীয় জরুরি প্রয়োজনে ও জনস্বার্থে ইউএনওদের ব্যবহারে প্রতিস্থাপক হিসেবে ৫০টি গাড়ি কেনা হবে এবং এগুলো কেনা হবে সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে (ডিপিএম)। কারণ, উন্মুক্ত দর পদ্ধতিতে কেনাটা সময়সাপেক্ষ।

এরআগে গত বছরের ফেব্রুয়ারি মাসেও একইভাবে অর্থনৈতিক বিষয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে ইউএনওদের জন্য ৫০টি পাজেরো গাড়ি কেনার সিদ্ধান্ত হয়েছিল। তখন প্রতিটির দাম ছিল ৯৪ লাখ টাকা। সে হিসাবে ৫০টির দাম ছিল ৪৭ কোটি টাকা।

অর্থ মন্ত্রণালয় জানায়, সরকারি যানবাহন অধিদপ্তর ২০০৬-০৭ অর্থবছর থেকে ইউএনওদের সরকারি ও দাপ্তরিক কাজে ব্যবহারের জন্য জিপ গাড়ি কেনায় বরাদ্দ দিয়ে আসছে। বর্তমানে পুরোনো জিপগুলোর আয়ুষ্কাল শেষ হয়ে এসেছে। ফলে মেরামত করে প্রশাসনিক ও দৈনন্দিন কার্যক্রম পরিচালনার গতি কমে যাচ্ছে।